শরীয়তপুর নির্বাচন অফিসসহ সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ভোটার আইডি কার্ডের নাম, জন্ম তারিখ, পিতা-মাতার নাম সংশোধন, হারানো কার্ড রি-ইস্যু এবং অনলাইন কপি ডাউনলোড।
পাসপোর্ট, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কিংবা জমি রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID Card) বা ভোটার আইডি কার্ডের তথ্যে ভুল থাকলে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়। নির্বাচন কমিশনের পোর্টালে সঠিক ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রমাণপত্র আপলোড না করলে আবেদন বাতিল হয়ে যায়।
শরীয়তপুর সার্কিট হাউজ মোড়ে অবস্থিত ফরহাদ কম্পিউটার (Farhad Computer) থেকে আমরা শরীয়তপুর ও সারা বাংলাদেশের নাগরিকদের এনআইডি সংশোধন আবেদন, সরকারি ফি পরিশোধ, নতুন ভোটার নিবন্ধন এবং স্মার্ট কার্ড স্ট্যাটাস চেক করার বিশ্বস্ত সেবা প্রদান করি।
শরীয়তপুর ও সারা বাংলাদেশে আমরা যে সকল ভোটার আইডি সেবা প্রদান করি
এসএসসি সনদ বা ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন অনুযায়ী ভোটার আইডি কার্ডের ভুল নাম ও বয়স সংশোধন।
পিতা-মাতার এনআইডি ও কাবিননামা অনুযায়ী পরিবারের তথ্যের নির্ভুল সংশোধন ও সংযোজন।
কার্ড হারিয়ে গেলে দ্রুত রি-ইস্যু আবেদন করে নির্বাচন কমিশনের সার্ভার থেকে রঙিন কপি উত্তোলন।
নতুন ভোটার হওয়ার অনলাইন আবেদন (ফরম-২) এবং এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় ভোটার স্থানান্তর।
ভোটার আইডি কার্ডের ছবি, স্বাক্ষর কিংবা উভয় হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরিবর্তনের জন্য নির্বাচন অফিসে আবেদন প্রক্রিয়া।
হারিয়ে যাওয়া বা ভুলে যাওয়া স্লিপ/ফর্ম নম্বর থেকে এনআইডি নম্বর ও ভোটার তথ্য উদ্ধার সেবা।
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
উত্তর: প্রথমবার সাধারণ তথ্য সংশোধনের সরকারি ফি ২৩০ টাকা, অন্যান্য তথ্য ১১ তথ্য এবং উভয় তথ্য একসাথে সংশোধনের ফি ৩৪৫ টাকা। হারানো কার্ড প্রথমবার রি-ইস্যু ফি ৩৪৫ টাকা।
উত্তর: হ্যাঁ, যাদের শিক্ষাগত সনদ নেই তাদের ক্ষেত্রে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, কাবিননামা ও পিতা-মাতার এনআইডি কার্ডের ভিত্তিতে অ্যাফিডেভিট ও তদন্ত সাপেক্ষে সংশোধন করা সম্ভব।
উত্তর: সাধারণত সঠিকভাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে আবেদন করার পর নির্বাচন কমিশনের যাচাই-বাছাই শেষে ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এনআইডি সংশোধন সম্পন্ন হয়।
উত্তর: নির্বাচন কমিশনের অফিশিয়াল NID পোর্টালে গিয়ে আবেদন নম্বর ও জন্মতারিখ দিয়ে সহজেই যেকোনো এনআইডি আবেদন বা সংশোধনের বর্তমান অবস্থা চেক করা যায়।
উত্তর: ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য নির্বাচন কমিশনের পোর্টাল বা 'ফরহাদ কম্পিউটার' এর মাধ্যমে ফরম-২ পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হয়।
উত্তর: হ্যাঁ, স্মার্ট কার্ড হারিয়ে গেলে জিডি কপি ও নির্দিষ্ট ফি অনলাইনে পরিশোধ করে রি-ইস্যু আবেদন করার মাধ্যমে পুনরায় নতুন স্মার্ট কার্ড বা স্লিপ সংগ্রহ করা যায়।
শরীয়তপুর বা সারা বাংলাদেশ থেকে ঘরে বসে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে আমাদের কল করুন!