শরীয়তপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসসহ সারা বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় ঘরে বসেই নতুন ই-পাসপোর্ট আবেদন ফরম পূরণ, পাসপোর্ট রিনিউ, এ-চালান ব্যাংক ফি জমা ও ডেলিভারি ট্র্যাকিং সহায়তা।
বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (DIP) অধীনে বর্তমানে ৪৮ ও ৬৪ পৃষ্ঠার এবং ৫ ও ১০ বছর মেয়াদী ই-পাসপোর্ট (e-Passport) প্রদান করা হচ্ছে। অনলাইনে ই-পাসপোর্ট আবেদনের ক্ষেত্রে নামের বানান, এনআইডি বা জন্ম নিবন্ধন তথ্যের অমিল কিংবা ভুল ক্যাটাগরি নির্বাচনের কারণে অনেকের আবেদন আটকে যায়।
ফরহাদ কম্পিউটার (Farhad Computer) শরীয়তপুর জেলা ও সারা বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য শতভাগ নির্ভুলভাবে ই-পাসপোর্ট অনলাইন রেজিস্ট্রেশন, সরকারি ভ্যাটসহ এ-চালান (A-Challan) ফি জমা, জরুরি বা সাধারণ ডেলিভারি শিডিউল বুকিং এবং পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন পরামর্শ প্রদান করে থাকে।
শরীয়তপুর ও সারা বাংলাদেশে আমরা যে সকল পাসপোর্ট সেবা প্রদান করি
NID বা ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্মসনদ অনুযায়ী সরকারি পোর্টালে নির্ভুল তথ্য দিয়ে নতুন ই-পাসপোর্ট ফরম পূরণ।
এমআরপি (MRP) থেকে ই-পাসপোর্ট রূপান্তর, মেয়াদোত্তীর্ণ পাসপোর্ট রিনিউ ও তথ্য সংশোধন আবেদন।
৪৮ বা ৬৪ পাতার সাধারণ ও জরুরি পাসপোর্ট ফি সরাসরি অনলাইন এ-চালানের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক পরিশোধ।
শরীয়তপুর পাসপোর্ট অফিসসহ দেশের যেকোনো আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে বায়োমেট্রিক শিডিউল নিশ্চিত করা।
নবজাতক ও ২০ বছরের কম বয়সীদের জন্য পিতা-মাতার NID যুক্ত করে বিশেষ নিয়মে পাসপোর্ট আবেদন।
অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশন আইডি দিয়ে পাসপোর্ট প্রিন্টিং ও পুলিশ ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং।
জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত পাসপোর্ট রি-ইস্যু এবং পাসপোর্টের পাতার মেয়াদ বা পৃষ্ঠা বৃদ্ধির বিশেষ সেবা।
পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে থানায় জিডি এন্ট্রি থেকে শুরু করে পুনরায় নতুন পাসপোর্ট উত্তোলনের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন।
পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন সংক্রান্ত সঠিক গাইডলাইন এবং তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় পরামর্শ সেবা।
পাসপোর্ট আবেদনকারীদের সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ও উত্তর
উত্তর: ৪৮ পৃষ্ঠা ৫ বছর মেয়াদী রেগুলার ফি ৪,০২৫ টাকা এবং জরুরি ফি ৬,৩২৫ টাকা। ৪৮ পৃষ্ঠা ১০ বছর মেয়াদী রেগুলার ফি ৫,৭৫০ টাকা এবং জরুরি ৮,০৫০ টাকা (সরকারি ১৫% ভ্যাটসহ)।
উত্তর: বায়োমেট্রিক বা ছবি তোলার পর পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হলে রেগুলার ডেলিভারিতে ১৫-২১ কর্মদিবস এবং জরুরি (Express) ডেলিভারিতে ৭-১০ কর্মদিবসের মধ্যে পাসপোর্ট পাওয়া যায়।
উত্তর: আপনি সরাসরি আমাদের শরীয়তপুর সার্কিট হাউজ মোড় অফিসে আসতে পারেন অথবা দেশের যেকোনো জেলা থেকে হোয়াটসঅ্যাপ ও অনলাইনের মাধ্যমে কাগজপত্র পাঠিয়ে ঘরে বসেই ফরম পূরণ ও চালান কপি নিতে পারেন।
উত্তর: পুরাতন পাসপোর্ট ও এনআইডি কার্ড দিয়ে অনলাইন পোর্টালে রিনিউ আবেদন করে এ-চালানের মাধ্যমে ফি জমা দিয়ে পুনরায় ছবি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে সময় নিতে হয়।
উত্তর: ই-পাসপোর্ট পোর্টালে অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন আইডি (Application ID) ও জন্মতারিখ দিয়ে খুব সহজেই বর্তমান প্রিন্টিং বা পুলিশ ভেরিফিকেশন স্ট্যাটাস চেক করা যায়।
উত্তর: পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় মূল এনআইডি কার্ড, জন্মসনদ, নাগরিক সনদ, বিদ্যুৎ বিলের কপি এবং ছবিসহ আবেদনপত্রের প্রিন্ট কপি পুলিশ কর্মকর্তার নিকট দেখাতে হয়।
শরীয়তপুর বা বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে নির্ভুলভাবে ই-পাসপোর্ট আবেদন করতে আমাদের কল করুন অথবা অনলাইনে অর্ডার করুন!